জেলা শাসক তাঁর ভাষনে বলেন, খুব দ্রুত গতিতে আমাদের জেলার উন্নয়ন হচ্ছে। সাধারন মানুষের কাছে বিভিন্ন সরকারী সুযোগ সুবিধা পৌছে দেওয়া হচ্ছে। ২৭০০ কৃষককে পাম্প সেটের বৈদ্যুতিকরণের জন্য ৮ হাজার টাকা করে দেওয়া শুরু হয়েছে। ৫ হাজার কৃষককে কৃষি প্রযুক্তি যন্ত্র কেনার জন্য মোট ৮.২৮ কোটি দেওয়ার কাজ চলছে। ৫ লক্ষের বেশি কৃষাণ ক্রেডিট কার্ড দেওয়া হয়েছে। এবছর আরও ৪৪ হাজার কৃষককে দেওয়া হবে। চাষে ক্ষতির হাত থেকে বাচতে শস্য বিমার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১০০ দিনের কাজে খরচের হিসাবে বর্ধমান জেলা ভারতে প্রথম স্থানে রয়েছে। প্রত্যেক পরিবার গড়ে ৪০ দিন কাজ পেয়েছে।
শিক্ষাক্ষেত্র গুলি উন্নয়নেও বিজ্ঞানসম্মত ও কিছু বাস্তব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান জেলা শাসক। তিনি বলেন, প্রত্যেকটি স্কুলে পর্যাপ্ত শ্রেণী কক্ষ তৈরী করা হচ্ছে। মার্চ ২০১৩ –এর পরে এমন কোনও স্কুল থাকবে না যেখানে ৪০ জন ছাত্র-ছাত্রী পিছু একটি শ্রেণীকক্ষ নেই। আমাদের জেলায় এবারের সর্বশিক্ষা বাজেট ৩৫০ কোটি টাকা। ইতিমধ্যে ২২০ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। জেলায় ৯ হাজার আই সি ডি এস আছে। আই সি ডি এস গুলিতে খাবার মান যাতে ভাল থাকে তার জন্য আরও বেশি করে নজর দেওয়া হচ্ছে। ২০১৫ –এর মধ্যে সমস্ত আই সি ডি এস –এর নিজস্ব বাড়ি হবে। আসানসোল এবং বর্ধমানে দু’টি আই টি হাবের জন্য প্রস্তাব পাঠান হয়েছে। আসানসোল, বর্ধমানে এস এন সি ইউ চালু হয়েছে। দুর্গাপুর, কালনা, কাটোয়ায়ও শীঘ্রই চালু হবে। ১৫ দিন ১০০ দিনের কাজ করেছে এমন ২.২৯ লক্ষ এ পি এল পরিবার সহ রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য বিমা যোজনায় ৮.৩৪ লক্ষ পরিবারকে যুক্ত করা হয়েছে।
কৃষির পাশাপাশি শিল্পের দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে। পানাগড়ে সার কারখানার কাজ চলছে। পাশাপাশি পানাগড়ে মারুতি, প্ল্যাস্টিক কারখানা আসছে বলে জানান জেলা শাসক ওঙ্কার সিং মীনা। আরও ফটো দেখতে ক্লিক করুন