
গণেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্ধমান (পূর্ব বর্ধমান) :- বর্ধমানে আয়োজিত ভদ্রেশ্বর গোল্ড কাপের ফাইনালে উঠল রেলওয়ে এফসি। শনিবার বর্ধমান শহরের স্পন্দন স্টেডিয়ামে ফ্লাড লাইটে আয়োজিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে তারা পেনালটি শ্যুটআউটে ইয়ং ইউনাইটেড কোচিং সেন্টারকে হারিয়ে দেয়। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ অবস্থায় শেষ হয়। আগের ম্যাচে রেলওয়ে এফসি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে। কিন্তু, এদিন তারা স্ট্র্যাটেজিতে পরিবর্তন আনে। ইয়ং ইউনাইটেড দলে রহিম আলি, প্রিতম কোটাল, অরিজিৎ বাগুইদের মতো খেলোয়াড়রা রয়েছেন। সেকারণে ডিফেন্সকে মজবুত করে কাউন্টার অ্যাটাক নির্ভর ফুটবল খেলে এদিন বাজিমাত করল রেল দল। ম্যাচে প্রাধান্য ছিল ইয়ং ইউনাইটেড কোচিং সেন্টারের। দুই অর্ধেই তারা বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ তৈরি করে। কিন্তু, সেগুলি তারা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়। অন্যদিকে, অপেক্ষাকৃত কম সুযোগ তৈরি করেও ম্যাচ জিতে নিল রেল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোল পরিশোধের জন্য আক্রমণে ঝড় তোলে ইয়ং ইউনাইটেড ক্লাব। কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা কাঙ্ক্ষিত গোল পেয়ে যায়। পেনালটি থেকে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান রহিম। ইয়ং ইউনাইটেডের সুমন মণ্ডল একটি সহজ গোলের সুযোগ নষ্ট করেন। শেষদিকে রহিমের নেওয়া দু’টি শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। কার্তিক দলুইও একটি সুযোগ নষ্ট করেন। শক্তিশালী ইউনাইটেডকে আটকে রাখার স্ট্র্যাটেজিতে সফল রেল। ম্যাচ শেষের অল্প সময় আগে পেনালটি শ্যুটআউটের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে ইয়ং ইউনাইটেড চারজন খেলোয়াড় বদল করে। টাইব্রেকারে পাঁচটির সবকটিতেই গোল করে রেলওয়ে এফসি। তৃতীয় শটের পরই গোলকিপার পরিবর্তন করে সুদীপ্ত ব্যানার্জীকে নামায় রেলওয়ে এফসি। পরিবর্ত হিসেবে নেমে তিনি হিরো। রহিমের নেওয়া পঞ্চম শট বাঁচিয়ে দলকে ফাইনালে তোলেন তিনি। তিনিই ম্যাচের সেরা বিবেচিত হয়েছেন। সোমবার ফাইনালে রেলওয়ে এফসি মুখোমুখি হবে ফুটবল ফেডারেশন অব ওড়িশার।