E Purba Bardhaman

বর্ধমানে এটিএম লুঠে মহারাষ্ট্র থেকে গ্রেপ্তার অভিযুক্ত

The Burdwan police have arrested a man from Maharashtra for breaking open an ATM with a gas cutter and looting over Rs 21 lakh.

বর্ধমান (পূর্ব বর্ধমান) :- গ্যাস কাটার দিয়ে এটিএম ভেঙে ২১ লক্ষাধিক টাকা লুটের ঘটনায় একজনকে মহারাষ্ট্র থেকে ধরে আনল বর্ধমান থানার পুলিশ। ধৃতের নাম হাসমাদিন। রাজস্থানের ফালোদি থানার মালার রোড এলাকায় তার বাড়ি। মহারাষ্ট্রে একই কায়দায় এটিএম লুটের ঘটনায় সেখানে সে ধরা পড়ে। মহারাষ্ট্রের জেল থেকে তাকে গ্রেফতার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। মহারাষ্ট্রের আদালতে পেশ করে তদন্তের প্রয়োজনে তাকে বর্ধমানে আনার প্রয়োজনীয়তার কথা বলে ট্রানজিট রিমান্ডের আবেদন জানান তদন্তকারী অফিসার। তা মঞ্জুর করে মহারাষ্ট্রের আদালত। সেখান থেকে এনে সোমবার তাকে বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। লুটের টাকা, এটিএম ভাঙায় ব্যবহৃত জিনিসপত্র উদ্ধার করতে এবং ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে ধৃতকে দশদিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় পুলিশ। ধৃতের ন’দিনের পুলিশি হেপাজত মঞ্জুর করেন সিজেএম।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৯ নভেম্বর রাতে বর্ধমান শহরের কানাইনাটশাল এলাকায় সেন্ট জেভিয়ার্স রোডে ডিভিসি গেটের কাছে স্টেট ব্যাঙ্কের এটিএমে লুটপাট চালায় কয়েকজন দুষ্কৃতি। দুষ্কৃতিরা গ্যাস কাটার দিয়ে এটিএম ভাঙে। এমনকি তারা এটিএমের সিসি ক্যামেরা নষ্ট করে দেয়। তারপর এটিএম থেকে ২১ লক্ষ ৬১ হাজার ৮০০ টাকা লুট করে নিয়ে পালায় তারা। বিষয়টি জানতে পেরে এটিএমের দেখভালের দায়িত্বে থাকা সংস্থার তরফে পরের দিন বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তার ভিত্তিতে কেস রুজু করে তদন্তে নামে বর্ধমান থানা। এরই মধ্যে দিনকয়েক আগে মহারাষ্ট্রের সাতারা তালুকা পুলিশ স্টেশন থেকে একটি মেইল পায় বর্ধমান থানা। তাতে জানানো হয়, ডিভিসি গেটের কাছে এটিএম ভাঙার ঘটনায় হাসমাদিনকে ধরা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে লুটপাটে জড়িত থাকার কথা সে কবুল করেছে। ঘটনার দিন সে এবং তার কয়েকজন সঙ্গী সাদা রংয়ের হোন্ডাই ক্রেটা গাড়িতে চেপে বর্ধমানে আসে। তারা গাড়ির জাল রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে এবং এটিএম ভেঙে টাকা লুট করে নিয়ে পালায়। গাড়িটি মহারাষ্ট্র পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। বিষয়টি জানার পর আদালতের অনুমতি নিয়ে বর্ধমান থানার পুলিশের একটি দল মহারাষ্ট্রে যায়। সেখানে গিয়ে জেলে থাকা হাসমাদিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদে লুটে তার জড়িত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হয় পুলিশ। এরপরই সাতারা জেল কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে তাকে গ্রেফতার করে সেখানকার আদালতে পেশ করে ট্রানজিট রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়। গ্যাংটি দেশের বিভিন্ন জায়গায় এটিএম লুটে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ।

Exit mobile version