E Purba Bardhaman

সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ানো রুখতে জেলা পুলিশের প্রচার অভিযান শুরু, নজরদারী সিআইডিরও

the district police started campaigning to prevent spreading rumors in the social media

বর্ধমান (পূর্ব বর্ধমান) :- গোটা রাজ্য জুড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ানোর ঘটনায় গোটা রাজ্য জুড়েই ২২জনেরও বেশিজন আক্রান্ত হয়েছেন। বারবার সরকারীভাবে উত্তেজনা না ছড়ানোর জন্য আবেদনও জানানো হচ্ছে। চলছে এজন্য ব্যাপক প্রচারও। সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের মেটেডাঙা এলাকা থেকে তারকনাথ উকিল নামে এক ব্যক্তিকে এই অভিযোগেই পুলিশ গ্রেপ্তার করে। যদিও তারকবাবুর দাবী, তিনি মোটেই গুজব ছড়াননি। বরং তাঁর পরিচিত খণ্ডঘোষ থানার অধীনে থাকা এক সিভিক ভলেণ্টিয়ারকে তিনি এই গুজব ছড়ানোর একটি মেসেজ পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেছিলেন। কিন্তু উল্টে তাঁকেই পুলিশ গ্রেপ্তার করে হেনস্থা করেছেন। কার্যত সোশ্যাল মিডিয়া এই বিষয়টি নিয়ে গোটা রাজ্য জুড়েই চলছে তীব্র আলোড়নও। আর তাই পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সমস্ত থানায় থানায় এব‌্যাপারে প্রচার করার উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রতিটি থানাকে এব্যাপারে এলাকায় এলাকায় মাইকের মাধ্যমে প্রচার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের অধীনে খণ্ডঘোষ থানার অধীনেই যেহেতু এই ঘটনা ঘটেছে তাই খণ্ডঘোষ থানা এব্যাপারে রবিবার থেকে ব্যাপকভাবে প্রচার অভিযান শুরু করল। এদিন বর্ধমান আরামবাগ রোড সহ খণ্ডঘোষ থানার বিভিন্ন রাস্তায় রাস্তায় মাইক নিয়ে গুজবে কান না দেওয়া বা এই ধরণের বিষয় জানতে পারলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেবার আবেদন জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের এক আধিকারিক এদিন জানিয়েছেন, এব্যাপারে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশ আসার পরই সমস্ত থানাকে এ্যালার্ট করা হয়েছে। কোথাও যেন এই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে উত্তেজনা না ছড়ায় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট থানাগুলিকে। জানা গেছে, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই ধরণের প্রচার সম্পর্কে ইতিমধ্যেই সিআইডি তদন্ত শুরু করেছে পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও। তৈরী করা হয়েছে একটি বিশেষ টিমও। তাঁরা এলাকাভিত্তিক এব্যাপারে নজরদারীও শুরু করেছেন বলে সিআইডি সূত্রে জানা গেছে।

Exit mobile version