E Purba Bardhaman

আদিবাসী মহিলা গণধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তারি পরওয়ানা জারির পর সাক্ষ্য দিতে এলেন দুই পুলিস অফিসার

বর্ধমান (পূর্ব বর্ধমান) :- আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণের মামলায় শেষমেশ সাক্ষ্য দিলেন আইবি-র স্পেশাল সুপার দেবর্ষি দত্ত। তাঁর সঙ্গেই সাক্ষ্য দেন হাওড়া কমিশনারেটের ডিডি-র ইন্সপেক্টর দেবজ্যোতি সাহা। সোমবার বর্ধমানের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতে সাক্ষ্য দেন তিনি। ঘটনার সময় আসানসোলের ডিএসপি ছিলেন দেবর্ষি। বারাবণি থানার ওসি ছিলেন দেবজ্যোতি। তিনি ছিলেন কেসের রেকর্ডিং অফিসার। আর দেবর্ষি ছিলেন প্রথম তদন্তকারী অফিসার। অভিযোগটি তিনি নথিভূক্ত করেছিলেন বলে জানান দেবজ্যোতি। আর তদন্তকারী হিসাবে তিনি কি কি করেছিলেন তা আদালতে জানান আইবি-র স্পেশাল সুপার। তবে, সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তারা সমন না পাওয়ার বিষয়ে বিচারকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সমন না পাওয়া সত্বেও তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরওয়ানা জারি হচ্ছে বলে আদালতে জানান তারা। এ বিষয়ে সরকারি আইনজীবী শিবরাম ঘোষালকে দেখার জন্য বলেন বিচারক। সমন বিলি না হওয়ার বিষয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক শেখ মহম্মদ রেজা। উল্লেখ্য, সাক্ষ্য দিতে হাজির না হওয়ায় দু’জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরওয়ানা জারির নির্দেশ দেন বিচারক।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১০ সালের ২৪ ডিসেম্বর ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ বারাবণি থানার কাটাপাহাড়ির বছর পঁয়তাল্লিশের ওই আদিবাসী মহিলা শূয়োর খুঁজতে বেরিয়েছিলেন। সেই সময় কাটাপাহাড়ির স্বপন মণ্ডল,তরুণমণ্ডল ও গৌতম মণ্ডল মহিলাকে একটি খাদানে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। আসানসোল হাসপাতালে মহিলার চিকিৎসা হয়। পরে তিনি পুলিসে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর বয়ান নথিভূক্ত করে পুলিস। যদিও অভিযুক্তদের কাউকেই পুলিস গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আদালতে আত্মসমর্পণ করে তারা। পরে জামিনে মুক্তি পায় অভিযুক্তরা।

Exit mobile version