
বর্ধমান (পূর্ব বর্ধমান) :- পৃথক ঘটনায় বৃহস্পতিবার বজ্রাঘাতে পূর্ব বর্ধমান জেলায় মৃত্যু হলো ৫ জনের, জখম হয়েছেন ৪ জন। ঘটনাগুলি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের ভূমশোড়, মাধবডিহির আলমপুর, আউসগ্রামের দেয়াশা, মঙ্গলকোটের চানক ও রায়নার তেঁণ্দুল গ্রামে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে মাধবডিহির বাসিন্দা সনাতন পাত্র (৬০) আলমপুরের মাঠে চাষের কাজ করতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বজ্রাঘাতে জখম হলে মাধবডিহি থানার পুলিশ তাঁকে আলমপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়, চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, মামাবাড়িতে জমিতে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয়েছে এক যুবকের। মৃতের নাম রবীন টুডু (২৫)। তিনি আউসগ্রামের ভেদিয়ার বাসিন্দা। রবীন টুডু রাধামাধবপুর আদিবাসী পাড়ায় মামার বাড়িতে এসেছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে দেয়াশা গ্রামে মামার জমিতে চাষের কাজ করার সময় তিনি বজ্রাহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে গুসকরা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এছাড়াও রায়না থানার বাসিন্দা অভিজিৎ সাঁতরা (২৬) চাষের জন্য তাঁর নিজের জমিতে কাজ করার সময় বজ্রাহত হন। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক বলে করেন।
অন্যদিকে, জমিতে চাষ করার সময় মঙ্গলকোটের চানক গ্রামের বাসিন্দা বুড়ো মাড্ডি (৬৬) বজ্রাহত হন। তাঁকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অন্য একটি ঘটনায়, মাধবডিহি থানার শেরপুরে বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয়েছে পরিমল দাসের (৩২)। তাঁর বাড়ি খন্ডঘোষের মুইধারা গ্রামে। তিনি জমিতে চাষ করার সময় বজ্রাঘাতে জখম হলে তাঁকে আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিতসক মৃত্যু ঘোষণা করেন।
এরই পাশাপাশি, এদিন ভাতারের ভুমশোড়ে মাঠে শেখ নাসির তাঁর দুই ছেলে শেখ ইব্রাহিম ও শেখ হাসিবকে নিয়ে ধান রোয়ার কাজ করতে গিয়েছিলেন। তাঁরা তিনজনেই মাঠে থাকাকালীনই বজ্রাঘাতে আহত হন। অন্যদিকে, ভাতারের ভূমশোড়ে মাঠের অপরপ্রান্তে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে আহত হয়েছেন আলাউদ্দিন শেখ নামে আরও এক ব্যক্তি। ভাতার থানার পুলিশ জখম ৪ জনকেই উদ্ধার করে ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়।