বর্ধমান (পূর্ব বর্ধমান) :- ‘প্রজাপতি’ সিনেমা নিয়ে বিতর্ক চলছেই। খোদ তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এই ছবির অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী সম্পর্কে যে কটুক্তি করেছিলেন মঙ্গলবার রাতে বর্ধমানের নীলপুর যুব উৎসবে এসে নাম না করে তাকেই খণ্ডন করে গেলেন অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। এই যুব উৎসবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে চিরঞ্জিত বলেন, একটা মজার ঘটনা হচ্ছে লোকে ভাবছে মিঠুনের সঙ্গে আমার ফাইট চলছে। আসলে তা নয়। তিনি বলেন, মিঠুন একেবারে আমার ছেলেবেলার বন্ধু। আমরা একসঙ্গে অনেক জায়গায় ঘুরেছি। আমি ডিরেকশন দেবো ও অ্যাক্টিং করবে। প্রথমদিকে ও (মিঠুন) সদ্য মৃগয়া করেছে, তারপর বগলে স্ক্রীপ্ট নিয়ে ঘুরেছি প্রডিউসারদের কাছে। আমি রাতে ওঁদের বাড়িতে ছিলাম। ওর মা ভাই বোনদের সঙ্গে খুব পরিচয় রয়েছে আমার। তাদের আমি বোন বলি। সেরকমই একটা রিলেশন ছিল আমাদের মধ্যে। একটা ছবি করেছে ‘প্রজাপতি‘। আপনারা দেখেছেন? প্রজাপতি দেখবেন। প্রজাপতি দারুন একটা ছবি করেছে মিঠুন। চিরঞ্জিত বলেন, টেরিফিক অ্যাকটিং করেছে মিঠুন, টেরিফিক। তিন তিনটে ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড আছে। আবার হয়তো একটা পেয়ে যাবে। দেবও আমার প্রিয় ছেলে, যার সঙ্গে আমি ছবি করেছি। ‘বিন্দাস’ দেখেছেন আপনারা, ‘চ্যাম্প’ দেখেছেন। আবার মিঠুনের সঙ্গে আমি ছবি করেছি ‘চোরে চোরে মাসতুতো ভাই’। দু’জনের সঙ্গেই আমার খুব গভীর আলাপ এবং বন্ধুত্ব। এদের দু’জনের ছবির আমি ভালো কামনা করছি। সুপারহিট অলরেডি হয়ে গেছে, আরো হিট হোক আমি এটা চাইবো। সেই মিঠুনের সঙ্গে আমাদের পলিটিক্যাল কারণে একটু লাগিয়ে দিচ্ছে সবাই। আমি নাকি মিঠুনের বিরুদ্ধে বলছি অমুক-তমুক। আসলে মুশকিলটা হচ্ছে যে পলিটিক্যালি যেহেতু ও আরেকটি দলে আছে। আর আমি এক দলে আছি। একটু কনফ্লিক্ট হবে ওইটুকুই। সেটা পলিটিক্যাল ফিল্ডে। সুখ-দুঃখের ক্ষেত্রেও নয়, সিনেমার ক্ষেত্রেও নয়। অভিনয় ক্ষেত্রে এসব কিছু চলে না। আমরা সবাই ফ্রেন্ড, আমরা সবাই বন্ধু। যে যার কাজ করি। যার যার মত কাজ করব। আর সেরকম হিট ছবি আপনাদের উপহার দেব এটাই আমাদের কাজ।