গলসী (পূর্ব বর্ধমান) :- লোকসভার ভোট ঘোষণা হতে না হতেই রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়ালো গলসী ২ ব্লকের মোহড়া গ্রামে। অভিযোগ উঠেছে, সিপিএমের এক নেতার বাড়ি,গাড়িতে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপান-উতোর। সিপিআই(এম)-এর পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদক সৈয়দ হোসেনের অভিযোগ, সিপিআইএম কর্মীদের যাতে ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়া যায়। তারা যাতে লোকসভা ভোটের প্রচার না করতে পারে এবং গ্রামে ভোটারদের সন্ত্রস্ত করতে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে। সিপিআইএম গলসী ২ এরিয়া কমিটির সদস্যের বাড়ি, গাড়ি, ট্রাক্টর ও যাত্রীবাহী বাসে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। সিপিআইএমের এরিয়া কমিটির সদস্য বিশ্বজিৎ চৌধুরীর পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, পুরোনো মামলা না তোলায় রাতের বেলায় আচমকা তাঁদের বাড়িতে ইট পাটকেল ছোঁড়া হয়। তারপরই অমরনাথ চৌধুরি নেতৃত্বে ২০-২৫ জন তাঁদের বাড়িতে রড, লাঠি, বাঁশ নিয়ে হামলা চালায়। এমনকি বাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। ভাঙচুর করা হয় চারচাকা গাড়ি, বাস ও ট্রাকটরেও। ইটের আঘাতে বাড়ির বেশ কয়েকটি জানালার কাঁচ ভাঙে এবং পরিবারের তিনজন আহত হয়। অভিযোগ অস্বীকার করে গলসি ২ ব্লক তৃণমূল সভাপতি সেখ সাবিরউদ্দিন জানিয়েছেন, এটা ওদের পারিবারিক ঝামেলা, দীর্ঘদিন ধরে হচ্ছে। যারা দোষী তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। অন্যদিকে, অমরনাথ চৌধুরি পরিবারের লোকেদের দাবি, এটা পুরোনো পারিবারিক ঝামেলা। তাঁদের বাড়িতেই প্রথমে হামলা চালিয়েছেন বিশ্বজিৎ চৌধুরীর পরিবারের লোকেরা। দোষ ঢাকতে নিজেদের গাড়িতে ও বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে তাঁরা। এই ঘটনায় উত্তেজনা দেখা দিলে খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে গলসী থানার পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
Check Also
নয়াদিল্লী স্টেশনে পদপিষ্টের ঘটনায় অতিরিক্ত যাত্রীচাপকেই দায়ী করলেন সুকান্ত, দিলীপ
বর্ধমান (পূর্ব বর্ধমান) :- নয়াদিল্লী স্টেশনে পদপিষ্ট হয়ে ১৮ জনের মৃত্যুর ঘটনায় অতিরিক্ত যাত্রীর চাপকেই …