বর্ধমান (পূর্ব বর্ধমান) :- অকাল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ, কৃষিঋণ ও বিদ্যুৎ বিল মকুব, সার ও বীজের কালোবাজারি রোধ-সহ কৃষকদের বিভিন্ন দাবিতে রবিবার বর্ধমান-নবদ্বীপ রোডে মালম্বা মোড়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালো কৃষি ও কৃষক বাঁচাও কমিটির মেমারী ২ ব্লক কমিটি। সংগঠনের জেলা সম্পাদক অনিরুদ্ধ কুণ্ডু জানিয়েছেন, সরকার এখনো কৃষকদের সার্বিক ক্ষতিপূরণের কথা ঘোষণা করেনি। ফলে কৃষকদের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। ঋণে জর্জরিত হয়ে আছেন। এখনোও সরকারি কর্তারা মাঠ পরিদর্শন করেননি। তারা ড্রোনের সাহায্যে ক্ষতির পরিমাপ করছেন। অনিরুদ্ধবাবু জানিয়েছেন, তাঁরা আশঙ্কা করছেন, এর ফলে সঠিক ক্ষতিপূরণ পরিমাপ করা যাবে না। তাই সরকারি কর্তারা অবিলম্বে মাঠে নেমে ক্ষতির পরিমাণ পরিমাপ করুক এবং সরকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করুক। এরইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কৃষি ঋণ ও বিদ্যুৎ বিল মকুব এবং সার ও বীজের কালোবাজারি রোধ করার দাবী জানাচ্ছেন তাঁরা। এদিন এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অনিরুদ্ধ কুণ্ডু-সহ ব্লক কমিটির সভাপতি সামসুল আহম্মদ, মহাদেব প্রধান প্রমুখরা। উল্লেখ্য, এই একই দাবীতে সারা ভারত কৃষক সভার রায়না খণ্ডঘোষ এরিয়া কমিটির উদ্যোগে শনিবার পথ অবরোধ করা হয় বর্ধমান-আরামবাগ ৭ নম্বর রাজ্য সড়কের সগড়াই মোড়ে। কৃষকসভার জেলা কমিটির সদস্য বিনোদ ঘোষ জানিয়েছেন, শস্য বীমা থাকুক বা না থাকুক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত আলু চাষী, ধান চাষী, সবজি চাষী ও ফুল চাষীদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের অবিলম্বে কৃষি ঋণ মুকুব করতে হবে। সার, কীটনাশক, আলু বীজের দাম নিয়ে ফাটকা বাজি বন্ধ করতে প্রশাসনকে অবিলম্বে দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে। গোবিন্দভোগ ধান রপ্তানিতে কেন্দ্রীয় সরকারের নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে এবং ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি স্মার্ট মিটারের নামে চাষীদের ওপর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বোঝা চাপানো চলবে না।
Check Also
নয়াদিল্লী স্টেশনে পদপিষ্টের ঘটনায় অতিরিক্ত যাত্রীচাপকেই দায়ী করলেন সুকান্ত, দিলীপ
বর্ধমান (পূর্ব বর্ধমান) :- নয়াদিল্লী স্টেশনে পদপিষ্ট হয়ে ১৮ জনের মৃত্যুর ঘটনায় অতিরিক্ত যাত্রীর চাপকেই …