E Purba Bardhaman

যখন লড়াই হয় তখন কুত্তা, পরে আবার শের – দিলীপ ঘোষ

When it's a fight, it's a dog, then a lion again - Dilip Ghosh

বর্ধমান (পূর্ব বর্ধমান) :- যখন লড়াই হয় তখন কুত্তা, পরে আবার শের। শেরের কারণ পিছনে পুলিশ আছে। আবার গ্রাম ছাড়া হতে হবে। শুক্রবার সকালে বর্ধমানের খোসবাগানে মেডিকেল মাঠে প্রাতঃভ্রমণে বেড়িয়ে শীতলকুচি সম্পর্কে বলতে গিয়ে একথা বলেন বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, শীতলকুচি আর উদয়ন গুহর জায়গা দিনহাটায় গন্ডগোল হবেই। ওরা যে কটা আছে তারা গন্ডগোল করে। গত বছর শীতলকুচির সিতাইয়ের যে ক্যান্ডিডেট এখন যে এমপি ক্যান্ডিডেট হয়েছে সে লোকসভা ভোটের পরে পালিয়ে গিয়েছিল জায়গা ছেড়ে, ছয় মাস আসেনি। আমি গিয়েছিলাম ওখানে, আমাকে ঢুকতে দেয়নি আমি যখন গিয়েছিলাম সব ফাঁকা। তারপর আমি বলেছিলাম কাউকে তারাবো না আমরা। যখন লড়াই হয় তখন কুত্তা, পরে আবার শের। আবার শেরের মত কারণ পিছনে পুলিশ আছে। আবার গ্রাম ছাড়া হতে হবে।
এদিন ভোট শুরুর আগেই দিনহাটা কোচবিহার-সহ একাধিক জায়গায় বিজেপির যারা এজেন্ট তাঁদের মারধর করা, কাগজ কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে দিলীপবাবু বলেন, দিনহাটা, কোচবিহারে গন্ডগোলটা নতুন কিছু না, বাংলাদেশ থেকে গুন্ডাদের নিয়ে আসা হয়। ওদের দিয়ে উৎপাত করা হয়। আর ওরা এটা করে জেতার চেষ্টা করে। তারপরও শীতলকুচি আমরা জিতেছি বিধানসভায়। ওখানে সব জায়গায় লিড পাবো। মুর্শিদাবাদের ঘটনায় এনআইএ তদন্ত সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি আশা করব মুর্শিদাবাদে যারা এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে তারা সাজা পাবে। বৃহস্পতিবার রাতে বর্ধমানের কার্জন গেট সংলগ্ন এলাকায় পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র বিজেপি তৃণমূলের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিজেপির পতাকা ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। দিলীপবাবু বলেন, এসব ছিঁচকে চোরের মতন। কোথাও দেওয়াল মুছে দিচ্ছে, পতাকা খুলে দিচ্ছে, এই করে ভোট হয়? যারা লড়তে পারে না তারা এই ধরনের করে। ও বেশি দিন চলবে না, ঠিক হয়ে যাবে, আমরাও দেখছি পুলিশ কি করছে, না হলে বাকিটা আমরা করব। প্রাতঃভ্রমণ করার মাঝেই একজন দিলীপবাবুকে প্রশ্ন করেন, এবারে কি শান্তি ভাবে ভোটটা দিতে পারব? তিনি বলেন, অনেকদিন হয়েছে গন্ডগোল, সেগুলো পাল্টাবে সব। উল্লেখ্য, ভাতার যাবার পথে ইদের দিন বর্ধমানের তালিতে তৃণমূলের একটি জলসত্র মঞ্চে যান দিলীপবাবু। তা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে। ওই মঞ্চেই বর্ধমান ১ ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি মানস ভট্টাচার্য্য তাঁকে শরবতও খাওয়ান। বৃহস্পতিবার সেই মানস ভট্টাচার্যই হুংকার দেন, হনুমানের প্রার্থী দিলীপ ঘোষ এসেছিল শরবত খেতে। শরবত দিয়েছি। ১ ব্লক চাইতে এলে চিরে দেবো। এব্যাপারে এদিন দিলীপবাবু বলেন, ভিতরের দম তো জানা হয়ে গেছে। দিলীপ ঘোষের দম আছে, ওদের ডায়াসে ভাষণ দিয়ে আসতে পারে মাইকে। আসুক আমাদের পার্টিতে নিয়ে নেব। শুক্রবার মেডিকেল মাঠে তার সাথে কয়েকজন মহিলা ও সাধারণ মানুষ দেখা করতে আসেন। সেখানে দিলীপ ঘোষ বলেন, সমাজটাকে ধরে রেখেছে মেয়েরাই। যে সমাজে মেয়েরা বাড়ির বাইরে গিয়ে উচ্ছন্নে গেছে সে সমাজ উঠে গেছে।
এখানেই নাম না করে মহুয়া মৈত্রকে নিশানা করেন দিলীপ। বলেন, মেয়েরা আবার সিগারেট খাচ্ছে। ক্যান্ডিডেট হয়েছে। মদের গ্লাসের ছবি বেরচ্ছে। এখন সে আবার ঘোমটা দিয়ে ভোট প্রচারে যাচ্ছে। ড্রামা দেখেছেন! তার সদস্যপদই চলে গেছে।

Exit mobile version