বর্ধমান (পূর্ব বর্ধমান) :- ভুয়ো ৩ ফায়ার অফিসারকে গ্রেপ্তার করেছে মেমারি থানার পুলিস। ধৃতদের মধ্যে এক মহিলাও রয়েছে। ধৃতদের নাম শিবশঙ্কর প্রজাপতি, দীপক প্রসাদ ওরফে সোনু ও পূজা সাউ। উত্তর প্রদেশের ভাদোই থানার বাহারিয়ায় শিবশঙ্করের বাড়ি। বাকিদের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরের লালকুঠি এলাকায়। ধৃতদের ব্যবহৃত একটি গাড়ি ও ন’টি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিস। গাড়িটির কাচে ফায়ার লেখা ছিল। ধৃত তিনজনকে বুধবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। ওসির অনুমতি ছাড়া মেমারি থানা এলাকা ত্যাগ না করার শর্তে পূজার জামিন মঞ্জুর করেন সিজেএম চন্দা হাসমত। বাকিদের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে ২২ জানুয়ারি ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দেন বিচারক।
পুলিস জানিয়েছে, মেমারি থানার তাতারপুরে জিটি রোডের পাশে একটি লোহার স্ক্র্যাপের দোকান রয়েছে শেখ আব্দুল সাত্তারের। মঙ্গলবার বেলা ১২টা নাগাদ ফায়ার লেখা একটি গাড়িতে চেপে তিনজন তাঁর দোকানে আসে। ফায়ার অফিসার পরিচয় দিয়ে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থায় দোকানে ত্রুটি রয়েছে বলে জানায় তারা। তার জন্য তাদের কাছ থেকে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র নেওয়ার জন্য বলা হয় তাঁকে। তিনি নিতে না চাওয়ায় তাঁর কাছ থেকে দোকানের বিভিন্ন কাগজপত্র দেখতে চায় তারা। কাগজপত্র ঠিকঠাক না থাকলে মোটা টাকা জরিমানা করা হবে বলে হুমকি দেয় তারা। তাদের গতিবিধি দেখে সাত্তারের সন্দেহ হয়। তিনি বিষয়টি এলাকাবাসীকে জানান। এলাকার লোকজন এসে তাদের কাছে পরিচয়পত্র দেখতে চায়। তারা তা দেখাতে পারেনি। এরপরই তাদের আটকে রেখে পুলিসে খবর দেওয়া হয়। পুলিস এসে তাদের থানায় নিয়ে যায়। পরে সাত্তারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।
Tags fake fire officer fake officer fire officer
Check Also
নয়াদিল্লী স্টেশনে পদপিষ্টের ঘটনায় অতিরিক্ত যাত্রীচাপকেই দায়ী করলেন সুকান্ত, দিলীপ
বর্ধমান (পূর্ব বর্ধমান) :- নয়াদিল্লী স্টেশনে পদপিষ্ট হয়ে ১৮ জনের মৃত্যুর ঘটনায় অতিরিক্ত যাত্রীর চাপকেই …