Breaking News

বেঙ্গল সুপার লিগে তাদের দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় পেল না বর্ধমান ব্লাস্টার্স

Burdwan Blasters failed to win their second match in the Bengal Super League.
Burdwan Blasters failed to win their second match in the Bengal Super League.

গণেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্ধমান (পূর্ব বর্ধমান) :- বেঙ্গল সুপার লিগে (Bengal Super League) তাদের দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় পেল না বর্ধমান ব্লাস্টার্স। বৃহস্পতিবার বীরভূমের বোলপুর স্টেডিয়ামে জয়ন্ত সেনের প্রশিক্ষণাধীন এফসি মেদিনীপুরের সঙ্গে তারা ১-১ গোলে ড্র করে। যদিও প্রথমদিনের তুলনায় বর্ধমান ব্লাস্টার্স (Burdwan Blasters) এদিন অনেক ভালো খেলেছে। তবে, দলের খেলায় অনুশীলনে ঘাটতি ও শারীরিক সক্ষমতার ঘাটতি চোখে পড়েছে। দ্বিতীয়াের্ধর মাঝামাঝি সময় থেকে দমের ঘাটতি নজর পড়ছে ফুটবলারদের। প্রথম ম্যাচেও এগিয়ে গিয়েও ৬০ মিনিটের পর ২ গোল হজম করে ম্যাচ হারতে হয়েছে তাদের। এদিনও এগিয়ে গিয়েও ৬০ মিনিটের পর খেলোয়াড়দের বেদম হয়ে পড়াকে কাজে লাগিয়ে সমতা ফিরিয়েছে প্রতিপক্ষ। প্রথমাের্ধ ব্লাস্টার্স-এর প্রাধান্য ছিল। এই অর্ধে বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ পায় তারা। কিন্তু, স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায় তারা ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। এফসি মেদিনীপুর প্রথমাের্ধ মাধেমধ্যে আক্রমণ শানিয়েছে। তবে, প্রথমাের্ধর খেলায় প্রাধান্য ছিল বর্ধমান ব্লাস্টার্স-এর। ম্যাচের ৪৪ মিনিটে দলের বিদেশি রিক্রুট মেনেঙ্গু মডিউ থ্রু বল পেয়ে প্লেসিংয়ে বল জালে পাঠান। তার আগে অন্তত দু’টি ক্ষেত্রে একইরকম পরিস্থিতিতে তিনি গোল করতে ব্যর্থ হন।
দ্বিতীয়াের্ধ ম্যাচে ফেরে জয়ন্ত সেনের ছেলেরা। ব্লাস্টার্স-এর ফুটবলাররা দমের ঘাটতিতে খেলা থেকে হারিয়ে যান। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এফসি মেদিনীপুরকে সমতা এনে দেন সোমনাথ প্রামাণিক। সমতা ফেরার পর দু’দলই গোল না খাওয়ার লক্ষ্যে কিছুটা ডিফেন্সিভ ফুটবল খেলে। ফলে খেলা মাঝমাঠে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। ম্যাচ ড্র করলেও দলের খেলায় খুশি ব্লাস্টার্স-এর টিডি গৌতম সরকার ও কোচ সন্দীপ নন্দী। কোচ বলেন, প্রথমাের্ধ ছেলেরা বেশ ভালো খেলেছে। এই অর্ধে আমাদের ৩-৪ গোলে এগিয়ে যাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু, সুযোগ কাজে লাগাতে পারিনি আমরা। দ্বিতীয়াের্ধর মাঝামাঝি সময় থেকে ছেলেরা দাঁড়িয়ে পড়ে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষ সমতা ফেরায়। মাত্র দেড়দিন অনুশীলন করার সুযোগ পেয়েছি। দলের অনেকেই অনুশীলনের বাইরে ছিল। আস্তে আস্তে ছেলেরা ভালো খেলবে। তবে, পরপর ম্যাচ খেলতে হবে এটাই দুশ্চিন্তার। আয়োজকদের বলব এতবড় টুর্নামেন্ট। উদ্দেশ্য মহৎ। দু’টি ম্যাচের মধ্যে অন্তত তিনদিনের ব্যবধান যেন পরেরবার রাখা হয়। জেলা থেকে ছেলে তুলে আনার পক্ষে দারুণ উপযোগী হবে এই প্রতিযোগিতা। আমাদের দলের গোলরক্ষক নবকুমার দাস দু’টি ম্যাচেই দারুন খেলেছে। ও যে কোনও আইএসএল দলে খেলার যোগ্য।

About admin

Check Also

CAB's U-15 district-level cricket Tournament started irresponsibly, breaking the rules

দায়সারা ভাবে শুরু হল সিএবি-র অনূর্ধ্ব-১৫ জেলাস্তরের ক্রিকেট প্রতিযোগিতা

গণেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্ধমান (পূর্ব বর্ধমান) :- নিয়ম ভাঙাই এখন দস্তুর হয়ে দাঁড়িয়েছে বর্ধমান জেলা ক্রীড়া …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *