
বর্ধমান (পূর্ব বর্ধমান) :- ক্রিকেট পিচে যেমন রান করতে এদিক থেকে ওদিক ছুটে বেড়িয়েছেন, ঠিক সেই ঢংয়ে সকালে দুর্গাপুর তো বিকালে বর্ধমানে ছুটে রান তুলছেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কীর্তি আজাদ। কখনও আদিবাসীদের সঙ্গে মাদলের তালে কোমর দোলাচ্ছেন, আবার কখনও সিঙ্গাড়া ভেজে কাপে চা ঢেলে বিলি করছেন। আমি তোমাদেরই লোক-এই সত্যকে তুলে ধরতে কালঘাম ছোটাচ্ছেন কীর্তি আজাদ। মঙ্গলবার বর্ধমানে দোলের দিন সকালে এলেন বর্ধমানের কাঞ্চননগরে জনসংযোগ করতে। খোল-করতাল বাজিয়ে দোলের আনন্দে মাতলেন কীর্তি আজাদ। এদিনই সকালে দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার এলাকায় বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষের মন্তব্য নিয়েও ফুঁসে ওঠেছেন কীর্তি। দিলীপ ঘোষের মন্তব্য বিজেপির জমিদারি মনোভাব প্রতিফলিত করে। এটাই বিজেপি আর তৃণমূলের মধ্যে পার্থক্য। আমরা যখন বিশ্বকাপ জিতেছিলাম, সেটাও ছিল বাংলার মানুষের জন্য। বিহার ও ওড়িশা ১৯১২ সালে বিভাজনের আগে বাংলার অংশ ছিল। আমরা বাংলার মানুষের মন জয় করব এবং নির্বাচনে জিতব।
তাঁকে বারবার বহিরাগত তকমা দেওয়া নিয়েও এদিন সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন কীর্তি। তিনি বলেন, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও নরেন্দ্র মোদী কেন বারাণসী থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন? তা নিয়ে তিনি সাংবাদিকদেরকে দিলীপ ঘোষের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করতে বলেছেন। কীর্তি প্রশ্ন তোলেন যে, দিলীপ ঘোষ, যিনি মেদিনীপুরের বাসিন্দা, তিনিও বর্ধমান-দুর্গাপুর থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাহলে তিনিও তো বহিরাগত। তিনি দিলীপ ঘোষকে সনাতন ধর্ম নিয়ে বিতর্কসভায় যোগদান করার জন্য চ্যালেঞ্জ করেন এবং কে জিতবে, তা সিদ্ধান্ত নিতে সাংবাদিকদেরকেও উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানান। বলা বাহুল্য, বিজেপি প্রার্থী যেখানে ঘোষণা করেছেন তিনি বোলার দেখেন না, বল দেখেন। সেখানে বিশ্বকাপ জয়ী কীর্তি যে নির্বাচনী ম্যাচে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বল করবেন তা মালুম হতে শুরু করেছে। এখন দেখার কীর্তির গুগলি বলকে কীভাবে ঠেকাতে পারেন বিজেপি প্রার্থী। 
E Purba Bardhaman Purba Bardhaman District News